জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী আসিফ আকবরের জন্মদিন আজ

বাংলাদেশের জনপ্রিয় সঙ্গীত তারকা আসিফ আকবর। তাকে ভালোবেসে শ্রোতা-ভক্তরা গানের যুবরাজ বলেও সম্মানিত করে থাকেন। ১৯৭২ সালের এই দিনে জন্ম নেয়া এই গানের মানুষটিকে কাছের মানুষরা তাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন নানাভাবে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভক্তদের অন্যরকম ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন আসিফ আকবর।    

তার জন্মদিনে দিনে কিংবদন্তী কণ্ঠশিল্পী শাহনাজ রহমতুল্লাহকে গভীর ভাবে স্বরণ করে তার  প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করেন।

২০০১ সালে প্রথম অ্যালবাম ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’ প্রকাশ করেই রাতারাতি তারকা বনে যান আসিফ আকবর। তার এই অ্যালবামটি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বিক্রিত অ্যালবাম বলে স্বীকৃত। 

সে সময় জলে-বনে-মাঠে-হাটে-সর্বত্রই মানুষের মুখে ফিরত আসিফের এ অ্যালবামের গান। বিশেষ করে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’, ‘চোখেরই জলে লেখা’, ‘ক্ষমা করে দিও আমাকে’, ‘জ্বালা জ্বালা এই অন্তরে’ শিরোনামের গানগুলো। 

এই অ্যালবামের সাফল্যের পর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি আসিফ আকবরকে। একক, ফিক্সড, চলচ্চিত্র যেখানেই গান করেছেন আসিফ সেখানেই তার গান লুফে নিয়েছেন শ্রোতারা। তার অনেক গান আজও মাুনষের মুখে শোনা যায়।


তবে বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে গান গেয়ে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন ক্রিকেট পাগল এই গায়ক। তার ‘বেশ বেশ বেশ-সাবাশ বাংলাদেশ’ গানটি জনপ্রিয়তার বিচারে বাংলাদেশ ক্রিকেটের অঘোষিত থিম সং-এ পরিণত হয়েছে। পৃথিবীর যে প্রান্তেই খেলা হোক, সেখানে বাংলােদেশিরা থাকলে আসিফের এই গানটি বাজতে শোনা যায়।

ক্যারিয়ারে অসংখ্য স্বীকৃতি তিনি অর্জন করেছেন। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য সেরা শিল্পী হিসেবে দুইবার জাতীয় চলচিত্র পুরষ্কার এবং ৬ বার মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার জয়।

আসিফ আকবরের জন্ম কুমিল্লার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে। তার বাবার নাম আলী আকবর ও মা রোকেয়া আকবর। পাঁচ ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি ষষ্ঠ। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি সালমা আসিফ মিতুকে বিবাহ করেন। তাদের রণ এবং রুদ্র নামে দুটি সন্তান রয়েছে।

 

আরও খবর